1. admin@lalpurbarta.com : Farhanur Rahman : Farhanur Rahman
  2. biswasfahim020@gmail.com : Fahim Biswas : Fahim Biswas
  3. farhanurlalpur@gmail.com : Abdul Muthalib Raihan : Abdul Muthalib Raihan
  4. farhanurrahman4@gmail.com : Sajibul Islam Ridoy : Sajibul Islam Ridoy
  5. tushar698934@gmail.com : Tusher Imran : Tusher Imran
লালপুরে মসজিদ, সরকারি হাট ও প্রেসক্লাবের জমি দখলের অভিযোগ! - লালপুর বার্তা
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন

লালপুরে মসজিদ, সরকারি হাট ও প্রেসক্লাবের জমি দখলের অভিযোগ!

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ৫২৬ Time View

লালপুরে পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে মসজিদ, সরকারি হাট-বাজার ও প্রেসক্লাবের জমি জবর দখল ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার সালামপুর নজরুল নগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

অভিযোগ সূত্র জানা যায়, লালপুর সাব-রেজিস্টরি অফিসে বিগত ১৯৯৭ সালের ৩ মে ৩৫০৬ দানপত্র দলিলে বিগত ২০১০ সালের ২২ ডিসেম্বর খারিজ কেস ২১৭১/১০-১১ নং আদেশ এবং ১৩১ নং আদেশে নজরুল নগর বাজার মসজিদ, ৩৪৬৫ নং দানপত্র দলিলে খারিজ কেস নং ২১৭১/১০-১১ নং আদেশে এবং ১৩০ নং হিসেবে নজরুল নগর বাজার ও প্রেসক্লাবের নামে খারিজ রয়েছে।

গত ১৯৯৭ সালের ৩ মে থেকে অদ্যাবধি সরকারি ইজরার মাধ্যমে হাটবাজারে অর্থ আদায়ও হয়ে আসছে। তবে ৩০ আগষ্ট একই এলাকার মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আবুল হোসেন ও তার চার ছেলে আয়েবুল্লাহ, রবিউল, জহুরুল ও জাহিদুল উক্ত জমি তাদের দাবি করে মসজিদের ধারি এবং রাস্তা ভেঙে দিয়ে মরিচ বেগুন গাছের চারা লাগিয়ে মসজিদে নামাজ আদায়ে বাধা প্রদান করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। প্রয়ত সাংবাদিক নজরুল নগর বাজারের নাম ফলক সরিয়ে বসানো হয়েছে চৌমোহনী বাজার নামে নাম ফলক।

এ বিষয়ে নজরুল নগর বাজার ও মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী বলেন, ৫৪ শতাংশ জমির সাড়ে ২৪ শতাংশ জমি ১৯৯৭ সালে প্রাপ্তবয়স্ক জমির মালিকের থেকে কিনে মসজিদ, বাজার ও প্রেসক্লাবের নামে দান করেছিল প্রয়ত সাংবাদিক প্রফেসর এ.কে.এম নজরুল ইসলাম। এবং এই জমি খাজনা খারিজ চলমান। তারপরও স্বজনপ্রীতি ও অর্থের বিনিময়ে আগের খারিজ বাতিল বা নোটিশ না দিয়ে অন্যব্যাক্তিকে জমি খারিজ দিয়েছে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকতা বেলাল হোসেন। আমরা ইউএনও বরাবর খারিজ বাতিলের আবেদনও করেছি। তারপরও বিবাদীরা এ জমি দখলের পায়তারা করছে।

বিবাদী আবুল হোসেন বলেন, এই জমি আমি ১৯৭৩ সালে অপ্রাপ্তবয়স্ক উয়ারিশের মায়ের থেকে কিনেছিলাম। আগে জমি খারিজ করা ছিল না। এখন জমি খারিজ করে দখল নিয়েছি।

আড়বাব ইউপি ভূমি কর্মকতা বেলাল হোসেন বলেন, ৫৪ শতাংশের মধ্যে মসজিদ, বাজার, প্রেসক্লাবের জমি খারিজ দেয় নি। এটা বাদে বাকি টুকু খারিজ দিয়েছি।

নাটোর জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এটি সমাধানের জন্য এসিল্যান্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাম্মী আক্তার বলেন, ডিসি মহাদয় বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। দুই পক্ষকে ডেকে বিষয়টি দ্রুতই সমাধান করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© সাপ্তাহিক লালপুরবার্তা কর্তৃক  © ২০২০ সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত
Theme Customized BY WooHostBD